ফেসবুকে মানুষ নিজেকে লুকিয়ে রাখতে পারে না। অধিকাংশ মানুষই তার ভেতরের একান্ত মানুষটিকে এখানে মেলে ধরে। কাউকে জানতে চাইলে তার ফেসবুকের প্রোফাইল ঘেঁটে দেখলে তাকে দারুণভাবে জানা যাবে। ফেসবুকের আঙিনায় একজন মানুষের মন ও মনের ভেতরটাকে যতোটা জানা যায় ততোটা হয়ত তার খুব কাছে থেকেও জানা যায় না। আমি নানান কারণেই ফেসবুকের অবদানকে খুব গুরুত্ব দেই। মানুষ তার মনের একান্ত অনুভূতিকে তুলে ধরার চমৎকার উপায় পেয়েছে; একারণেও আমি ফেসবুকের অবদানকে গুরুত্বের সাথে মূল্যায়ন করতে চাই।
Author and Photographer from Bangladesh. I would like to speak on behalf of humanity and human rights. By photography and writing, I also prefer to tell stories of underprivileged people from our society. Children, joy of life and smile is one of my favorite subject to photograph.
Thursday, January 29, 2015
Thursday, January 15, 2015
মানুষের কথা
মানুষ এমনি এমনি অহংকার করে না। অহংকার করার মতো কিছু থাকলে তখনই করে। আমি অহংকারের বিরুদ্ধে না। অহংকার ততোটুকুই সমর্থনযোগ্য যা ব্যক্তির মানবিক গুণাবলীকে মলিন করবে না। সম্পদ ব্যক্তিকে তার অজান্তেই অহংকারী করে তোলে।
মানুষ দুই রকম সম্পদ নিয়ে অহংকার করে। এক হল তার অর্জন করা সম্পদ এবং দ্বিতীয়টা অর্জন না করে পাওয়া সম্পদ। যারা অর্জন করা সম্পদের অহংকার করে তাঁরাই উত্তম। এই অহংকার সৃষ্টিশীল। এরকম অহংকার ব্যক্তিকে আরও শক্তি দেয় এবং ব্যক্তি অর্জন করার জন্যে আরও বদ্ধপরিকর হয়ে ওঠে। যারা অর্জন না করা সম্পদের অহংকার করে তারা নিতান্তই অধম। এই অহংকার সৃষ্টিশীল নয়। এই অহংকার ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট জায়গায় আবদ্ধ করে রাখে।
Saturday, January 10, 2015
সুহৃদা
কিশোর বয়সের প্রেমের মতো তৃপ্তিদায়ক স্মৃতি আর কোনও সময়ের প্রেমে দেখিতে পাওয়া যায় না। ইহা আজীবন মনের অলিগলিতে চলাচল করিয়া আপনাকে আনমনা করিবে। আপনি মনে মনে ভাবিয়া যথেষ্ট তৃপ্তিও লইতে পারিবেন। এহেন স্মৃতি মুছিবার সাধ্য কাহারো নাই। আমিও কিশোর বয়সে এক সহপাঠীকে ভালোবাসিয়াছিলাম। তাহার কোমল কণ্ঠ, মৃদু পায়ে চলা এবং লাজুক অথচ দৃঢ় ভঙ্গিমায় নিজেকে উপস্থাপন করিবার সুনিপুণ দক্ষতা আমাকে মুগ্ধ করিয়া তুলিত। তাহাকে দেখিয়া মুগ্ধ হইতাম। মুগ্ধতা লইয়াই আমি তুষ্ট থাকিতাম। তাহাকে ভালোবাসিবার মতো দুঃসাহস করিতাম না। কারণ আমাদিগের মধ্যে এক সামাজিক দেয়াল পথ আটকাইয়া ছিল। নিজ হইতে সে দেয়াল উপেক্ষা করিয়া এবং একতরফা তাহাকে ভালবাসিবার মতো বেগতিক মনের অধিকারী আমি ছিলাম না। এইরূপেই আমার দিন কাটিয়া যাইতেছিল। ইহার মধ্যেই লক্ষ্য করিলাম, আমার মনোহারিণী তাহার কোমল চাহনি দিয়া আমাকে কি যেন কহিতে চাহিতেছে। ইহা দেখিয়া আমার প্রেমিক হিয়া উৎফুল্ল হইয়া উঠিল। আকাশের চন্দ্র হাতে পাইবার মতো আনন্দ আমার মনে ভর করিল। দিনরাত্রি তাহাকে লইয়া ভাবিতে থাকিলাম। তাহাকে লইয়া ভাবিতে কতো যে সুখ, তাহা ভাষায় প্রকাশ করিবার মতো নহে। সুযোগ পাইলেই নিজেকে আড়াল করিয়া আপন মনে তাহাকে লইয়া ভাবিতাম। আহা! ভাবনার সেই ক্ষণগুলি বড়োই মধুর!
Saturday, December 27, 2014
শিশু জিহাদ ও গুজব
শিশু জিহাদ মারা যাওয়ার জন্যে সরকার মহাশয় দায় এড়াতে পারেন না। প্রথমত সরকারী প্রতিষ্ঠানের অবহেলায় জিহাদ নামক শিশুটি গভীর পাইপের মধ্যে পড়লো এবং সরকারী আরেক প্রতিষ্ঠানের অদক্ষতায় শিশুটি জীবিত উদ্ধার না হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লো।
আরেকটা বিষয় আমি খেয়াল করলাম, জিহাদ পাইপে পড়ে যাওয়াকে অনেকেই গুজব বলে মনে করেছেন। কোনও ঘটনা ঘটলেই সেটাকে কিছু মানুষ গুজব মনে করে। তারা সরলভাবে ঘটনাকে দেখতে পারে না। কেন পারে না? আবার কেন মানুষ গুজব তৈরি করবে বা একটি ঘটনাকে মানুষ গুজব বলে মনে করবে? এর জন্যে দায়ী কে বা কী?
আরেকটা বিষয় আমি খেয়াল করলাম, জিহাদ পাইপে পড়ে যাওয়াকে অনেকেই গুজব বলে মনে করেছেন। কোনও ঘটনা ঘটলেই সেটাকে কিছু মানুষ গুজব মনে করে। তারা সরলভাবে ঘটনাকে দেখতে পারে না। কেন পারে না? আবার কেন মানুষ গুজব তৈরি করবে বা একটি ঘটনাকে মানুষ গুজব বলে মনে করবে? এর জন্যে দায়ী কে বা কী?
Labels:
বিশ্লেষণ,
রাজনীতি ও রাষ্ট্র,
সমাজ
Thursday, November 20, 2014
ঠেলা ও ঠেলাঠেলি
ঠেলা ও ঠেলাঠেলি
ধরাতলে যোগ্যতার চেয়ে ঠেলার শক্তি বেশি। ঠেলা মারতে পারলে অথবা কারো জন্যে অন্য কেউ ঠেলা দিলেও জায়গামতো চলে যাওয়া যায়। ঘরে বা বাইরে, মাথার ঘিলু বা সর্বোপরি যোগ্যতা অনুসারে যেখানে যার থাকার কথা, সেখানে সে নেই। ঠেলাঠেলি করলে, ঠিকই জায়গা বরাবর পৌঁছে যাওয়া যাচ্ছে। সে জায়গায় তার মানাক বা না মানাক, তা মুখ্য বিষয় নয়।
এবারে ঠেলা তত্ত্ব নিয়ে ভাবা যাক। ঠেলাঠেলি দুই প্রকার। অবশ্য "ঠেলার নাম বাবাজি" বলে আরেক ঠেলা আছে। তবে সেই ঠেলা এই ঠেলা নয়। পূর্বে উল্লেখিত দুই প্রকার ঠেলাঠেলির মধ্যে প্রথম প্রকার হল, নিজের ঠেলা। আর দ্বিতীয় ঠেলা হল, নিজের হয়ে অন্য কেউ ঠেলে দেওয়া। এই দুই ঠেলাই যবরদস্ত কাজের।
ধরাতলে যোগ্যতার চেয়ে ঠেলার শক্তি বেশি। ঠেলা মারতে পারলে অথবা কারো জন্যে অন্য কেউ ঠেলা দিলেও জায়গামতো চলে যাওয়া যায়। ঘরে বা বাইরে, মাথার ঘিলু বা সর্বোপরি যোগ্যতা অনুসারে যেখানে যার থাকার কথা, সেখানে সে নেই। ঠেলাঠেলি করলে, ঠিকই জায়গা বরাবর পৌঁছে যাওয়া যাচ্ছে। সে জায়গায় তার মানাক বা না মানাক, তা মুখ্য বিষয় নয়।
এবারে ঠেলা তত্ত্ব নিয়ে ভাবা যাক। ঠেলাঠেলি দুই প্রকার। অবশ্য "ঠেলার নাম বাবাজি" বলে আরেক ঠেলা আছে। তবে সেই ঠেলা এই ঠেলা নয়। পূর্বে উল্লেখিত দুই প্রকার ঠেলাঠেলির মধ্যে প্রথম প্রকার হল, নিজের ঠেলা। আর দ্বিতীয় ঠেলা হল, নিজের হয়ে অন্য কেউ ঠেলে দেওয়া। এই দুই ঠেলাই যবরদস্ত কাজের।
Monday, October 6, 2014
গরুর ভাগ্য বৃত্তান্ত
গরুর ভাগ্য বৃত্তান্ত
মানুষ হইয়া জন্ম নিতে না পারায় পশু-পাখীদের মনে দুঃখ থাকিতে পারে। ইহা থাকাই স্বাভাবিক। কিন্তু এই দুই হাজার চৌদ্দ সালে আসিয়া বলিতে হইবে গরু জাতির গরু হিশাবে জন্ম লওয়া সার্থক হইয়াছে। এ বছর গরুসকল পৃথিবীর ইতিহাসে মানব মানবীদের নিকট হইতে রেকর্ড পরিমাণ আদর ভালোবাসা পাইয়াছে। ইহা অবিস্মরণীয়। ইহা গরুদের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লিখিয়া রাখা উচিত। গরু জাতি এবার মরিয়াও শান্তি পাইবে।
মানুষ হইয়া জন্ম নিতে না পারায় পশু-পাখীদের মনে দুঃখ থাকিতে পারে। ইহা থাকাই স্বাভাবিক। কিন্তু এই দুই হাজার চৌদ্দ সালে আসিয়া বলিতে হইবে গরু জাতির গরু হিশাবে জন্ম লওয়া সার্থক হইয়াছে। এ বছর গরুসকল পৃথিবীর ইতিহাসে মানব মানবীদের নিকট হইতে রেকর্ড পরিমাণ আদর ভালোবাসা পাইয়াছে। ইহা অবিস্মরণীয়। ইহা গরুদের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লিখিয়া রাখা উচিত। গরু জাতি এবার মরিয়াও শান্তি পাইবে।
Tuesday, September 9, 2014
আপনারে আপনি চিনি নে
তোমার জন্মের পর থেকে ঠিক এই মুহূর্ত পর্যন্ত তুমি অন্য মানুষ কিংবা সমগ্র মহাবিশ্ব সম্পর্কে যতো জেনেছ ততোটা নিজেকে জানো নি। যতো জ্ঞান আহরণ করেছ তা তোমার সম্পর্কে নয়, তোমার চারপাশ সম্পর্কে। অন্যের মনের খবর জানার জন্যে তার মনের জানালা দিয়ে উঁকি মেরেছ। অন্যের মনকে দেখার বা জানার জন্যে অন্যজনের কাছে ছুটে গেছ। অথচ তোমার নিজেরও একটা মন আছে। সেই মনে প্রবেশ করতে হলে উঁকি মারতে হবে না। লুকিয়ে দেখতে হবে না। তুমি সরাসরি তোমার মনের গভীর থেকে আরও গভীরে চাইলেই যেতে পারবে। অথচ, তুমি নিজের মনের সাথে কথা বল খুবই কম। ফলে তুমি মাঝে মাঝেই তোমার গতি হারাও কিংবা নিজের কাছে হয়ে যাও অচেনা। নিজেকে জানো না বলে তোমার মন কখনো কখনো তোমাকে করে এলোমেলো। কখনো সে তোমার সাথে করে পাগলামি। পাগল মনকে সামাল দিতে তুমি হিমশিম খাও। নিজেকে জানো না বলে নিজের উপর নিজের নিয়ন্ত্রণ থাকে যৎসামান্য।
Monday, August 25, 2014
রুমন আনামের ফটোগ্রাফিক ছড়া
ঝিলিক দেওয়া ছবি নিছিস
ময়লা টাকা দিয়ে
তিরিশ বছর পরে দেখিস
তোর হবে না বিয়ে!
তুই তো দেখি বড়ো চালাক
করলি আমায় বোকা
জানলে আগে তোর ছবিতে
লাগায় দিতাম পোকা !
লাইক পাবি গোটা দুয়েক
কমেন্ট হবে ফাঁকা
সোজা নাকটা দেখলে মানুষ
বলবে তবু বাঁকা!
Labels:
আমার কাজগুলি,
ছড়া
Wednesday, May 21, 2014
ও স্বাপ্নিক
প্রায় সব স্বপ্নবান তরুণ-তরুণীর চোখে সম্ভবনার ঝিলিক লেগে থাকে। ভালো করে চেয়ে দেখলে, তা দেখা যায়। স্বপ্নবানদের হৃদয় কোমল। বাহির থেকে তাদের কঠিন মনে হয়। তাদের হৃদয় স্পর্শকাতর। অল্পতেই প্রতিক্রিয়া দেখায়। অল্পতেই তার হৃদয়ে পৃথিবীর সব বিষয়ের দোলা লাগে। এতে সে অন্যদের কাছে যেমন আকর্ষণীয় তেমনি কিছুটা বিরক্তিকর।
Sunday, May 11, 2014
Sunday, March 30, 2014
ছড়া :: হঠাৎ হাঁক
হঠাৎ হাঁক
রুমন আনাম
নন্দলালের অন্ধ চ্যালা মন্দ হলে হ,
মিছা কথা কবি যদি বেশি করে ক।
দুখীর খানা খাবি যদি লুটেপুটে খা,
মানুষ হবার পথ হারালে পশু হয়ে যা।
ঘুষের টাকা নিবি যদি বেশি করে নে,
যে না দিয়ে ফাল ফালাবে ঘাড়ে কামড় দে।
চাপাবাজি করে বেড়াস বেশি করে কর,
দেশের মানুষ আবাল ভেবে কষে লাগা চড়।
খুব যে বেশি লম্ফ মারে নীতির করে গান,
ভাগের কিছু দিয়ে তারে নিজের দলে আন।
খেতে জানলে খুবলে খাবি কেউ পাবে না টের,
নন্দলালের আশীর্বাদে মাল কামাবি ঢের।
বাঙাল হল কাঙাল অতি করবি যা কর তাই,
লুটে খাবি খেয়ে যাবি ভয়ের কিছু নাই।
মনে রাখিস বাঙাল জাগে হঠাৎ দিয়ে হাঁক,
হাতের কাছেই লাঠি রাখে দিলো বুঝি ডাক!
২৯.১২.২০১২
Labels:
ছড়া
Subscribe to:
Posts (Atom)


